LightBlog

Thursday, June 15, 2023

প্রতিবেদন/পত্র

  “পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য চাই বৃক্ষরােপণ” এই শিরনামে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য চাই বৃক্ষরােপণ

আবহমানকাল ধরে সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলাদেশ নামে পরিচিত এই দেশ। অসংখ্য ছােট বড় নদী বিধৌত পলিমাটির স্তরে স্তরে গঠিত এর স্থলভাগ। সবুজ ফসলের শােভা শ্যামল বনানীর পেলবতা নয়ন-মনকে করে উদাস বাউল। যে দেশে গােলাভরা ধান ছিল, পুকুর ভরা মাছ ছিল, গােয়াল ভরা গরু ছিল, আঙিনা ভরা মােরগ-মুরগি ছিল, জনসংখ্যাবৃদ্ধির ফলে সােনার সে বাংলা এখন হত দরিদ্র শ্রীহীন।

এই একটি সমস্যা নানান সমস্যার সৃষ্টি করছে। জনসংখ্যাবৃদ্ধির চাপে আবাসন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ফলে বন-জঙ্গল-পতিত জমির বৃক্ষ, লতা কেটে সাফ করে বাসস্থান তৈরি হচ্ছে, বাসগৃহ নির্মাণের উপকরণও হচ্ছে গাছপালা। যান্ত্রিক সভ্যতার চাকচিক্য বাড়াতে নিধন হচ্ছে বৃক্ষ। কাগজ তৈরির প্রধান কাঁচামালই হচ্ছে বনজ গাছপালা। আসবাবপত্র তৈরিতে কাটা হচ্ছে গাছ। চারিদিকের এতাে সব চাহিদা মিটাতে ঘন বনজঙ্গল আজ প্রায় শেষ হবার পথে। একটি দেশের শতকরা বিশ থেকে পঁচিশ শতাংশ জমিতে বনভূমি প্রয়ােজন। বাংলাদেশ এক সময়ে কাক্ষিত বনভূমির আওতাভুক্তই ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই পরিমাণ পাঁচ থেকে সাত শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। পরিণামে প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারাচ্ছে বাংলাদেশ।

ষড়ঋতুর দেশ ছিল বাংলাদেশ। ঋতু বৈচিত্র্য দেখা যেত পর্যায়ক্রমে যার যার বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে। বৃক্ষনিধনের ফলে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে। ফলে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যও বিঘ্ন হয়েছে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলের এ দেশ ছিল নাতিশীতােষ্ণ। কিন্তু এখন চরম ভাবাপন্ন এক দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে এ দেশে। গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে এ কারণে। উত্তরাঞ্চলে এর ফলে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বায়ুমণ্ডল চরম উষ্ণ হয়ে পড়ার কারণে প্রতিবছরই ঘূর্ণিঝড়, জলােচ্ছ্বাস, বন্যার উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই দেশ মরুভূমিতে পরিণত হবে। কেনা জানে পাহাড় পর্বত, বৃক্ষলতা পাতা দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে থাকে। এরা প্রকৃতিকে রাখে আর্দ্র, ফলে সহজে বৃষ্টি বাদলা ঘটতে পারে। সিক্ততায় ফসলে ভরে ওঠে মাঠ। কিন্তু অজ্ঞ স্বার্থান্বেষী মানুষ অবাধেই কেটে পরিষ্কার করে ফেলছে সবুজ প্রকৃতিকে।

আজ আমাদের সত্যি সত্যি ভাবতে হবে, যদি আমরা দেশকে বাঁচাতে চাই, তবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। আর তা সম্ভব কেবল অধিক মাত্রায় বৃক্ষরােপণ করে। কেউ যদি একটা গাছ কাটে বিনিময়ে পাঁচ থেকে দশটি গাছ লাগাতে হবে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বৃক্ষরােপণ অভিযান পরিচালনা করতে হবে। কেননা এসময় বৃক্ষরােপণ করলে তা সহজে মারা যায় না। বরং তরতাজা হয়ে বাড়তে পারে। সরকারি বেসরকারি ব্যক্তিগত উদ্যোগে একাজ আমরা চালাতে পারি। লক্ষ রাখতে হবে অকারণে যেন গাছ কাটা না হয়। একটি বৃক্ষ পরিপূর্ণ হলে তবেই তা কাটা উচিত। চারা গাছকে রক্ষণাবেক্ষণের দিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। ফলবান বৃক্ষ যাতে কাটা না পড়ে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। এরা পরিবেশকে যেমন রক্ষা করে তেমনি ফল, কাঠ দিয়েও আমাদের বাঁচিয়ে রাখে।

বাংলাদেশের এক অমূল্য সম্পদ বনজ উদ্ভিদ। এ সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব যেমন সরকারের তেমনি দেশের প্রতিটি নাগরিকের। বন সংকোচন নয়, বন সম্প্রসারণই আমাদের এখন বড় কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণের সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জঙ্গল, উত্তরাঞ্চলের শালবন সবইতাে এখন বিপন্নতার মুখে। সুন্দরবন সংকুচিত ও হালকা হয়ে যাবার ফলে সমুদ্রের জলােচ্ছ্বাস আর ঠেকাতে পারছে না। অভয়ারণ্য হিসেবে পশু সম্পদও রক্ষা করতে পারছে না। পাহাড় কেটে সমতল করার ফলে সেখানে বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। এসব আমরা অবশ্যই প্রতিরােধ করতে পারি। আর বন কর্তন নয় এখন কেবল বনায়ন এ স্লোগানে সাড়া দিয়ে সারা বছর ধরে বৃক্ষরােপণ করতে পারি। বিশেষ মৌসুমে এটা অভিযান হিসেবেও পরিচালনা করতে পারি। এমনটি হলেও প্রাকৃতিক ভারসাম্য আবার ফিরে আসবে। সবুজের প্লাবনে হাসবে দেশ-অসুখ বিসুখ থেকে মুক্ত থাকবে দেশের মানুষ। অর্থনৈতিক সংকট থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাবাে আমরা।

প্রতিবেদক,

মােঃ মেহেদি হাসান।






পত্র লিখনঃ ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ জানিয়ে তোমার ছোট ভাইকে একটি পত্র।

পত্র লিখন

বারহাট্টা, নেত্রকোনা
১৫/০৫/২০২

পত্রের শুরুতেই আমার আদর আর স্নেহাশিস গ্রহণ করিও । আশা করি তোমরা বাড়ির সবাই ভালোই আছো। পত্রের মাধ্যমে জানতে পারলাম তোমার পরীক্ষার ফলাফল ভালো হয়েছে । আর সেই ফলাফলে আব্বু তোমার প্রতি খুশি হয়ে তোমাকে ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন। আর তারই প্রেক্ষিতে তুমি আমার কাছে এর যথার্থ ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চেয়েছো। তোমার এই জানার আগ্রহ দেখে সত্যিই আমি আনন্দিত। আসলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এ রকম বুঝে-শুনে পা বাড়ালে আমাদের আর এত দৈন্য-দশা থাকত না। বেশ, তুমি তো জানো, বর্তমান যুগ হচ্ছে প্রযুক্তির যুগ। আর বিজ্ঞানের আধুনিক প্রযুক্তির সর্বশেষ বিস্ময়ের ধাপ হচ্ছে ইন্টারনেট। ইন্টারনেট হলো এমনই একটি কানেকশন যার বিস্তৃতি হলো সারা বিশ্বব্যাপী। এই ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে তুমি বিশ্বের লাখ লাখ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারো । তাছাড়া ইন্টারনেট হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যা একজন মানুষের চোখের সামনে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিচিত্র জগৎ উন্মোচিত করে দেয়।

মি ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য মুহূর্তেই পেতে পারো। তাছাড়া বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির তথ্য, ফরম পূরণ, অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা, চাকরিসংক্রান্ত তথ্য, কৃষি, স্বাস্থ্য প্রভৃতি বিষয়ে তুমি এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে অবহিত হতে পারো। তাছাড়া ইন্টারনেটের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেসবুক, টুইটার প্রভৃতির তুমিও একজন সদস্য হতে পারো। তবে এ ব্যাপারে তোমাকে বন্ধু নির্বাচনে কড়া সতর্ক থাকতে হবে। তাছাড়া আলোর নিচে যেমন অন্ধকার থাকে, তেমনি ইন্টারনেটের খারাপ দিকগুলো থেকে তোমাকে দূরে থাকতে হবে। মোটকথা শুধু ভালো ও কল্যাণের দিকগুলো মাথায় রেখে তোমাকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে।
আজ আর নয়। তোমার প্রতি শুভ কামনা রইল।

তোমার ভাইয়া

নাসিরুল ইসলাম





তারিখ : ৫ জানুয়ারি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ
বরাবর
সম্পাদক, 
দৈনিক জনকণ্ঠ, 
২৪/এ নিউ ইস্কাটন রােড, ঢাকা।

জনাব, 

আপনার বহুল প্রচারিত, জনপ্রিয় ও বস্তুনিষ্ঠ পত্রিকা ‘দৈনিক জনকণ্ঠ’ পত্রিকার ‘চিঠিপত্র’ কলামে নিম্নোক্ত সমস্যাটি প্রকাশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে সহায়তা করার জন্য সবিনয় অনুরােধ জানাচ্ছি।

বিনীত
‘খ’ 
উলিপুর, কুড়িগ্রাম।

বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব : বিপর্যস্ত জনজীবন।

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার অন্তর্গত ঝাউখণ্ড গ্রামটি জনবহুল ও বর্ধিষ্ণু। এখানে প্রায় ৪০০০ লােক বাস করে। শহর থেকে দূর, এই গ্রামটিতে আধুনিকতার স্পর্শ নেই বলে গ্রামের মানুষদের খাবার পানির তেমন কোনাে সুব্যবস্থা নেই। তারা গ্রামের একমাত্র নলকূপ থেকে খাবার পানির প্রয়ােজন মেটায়। তাছাড়া গ্রামে একটি ছােট পুকুর আছে। যা থেকে গ্রামের মানুষ গােসল ও অন্যান্য কাজকর্ম সম্পন্ন করে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, নলকূপটি নষ্ট হওয়ায় গ্রামের মানুষ আবর্জনা ও জঞ্জালে পরিপূর্ণ পুকুর থেকেই খাবার পানির চাহিদা নিবারণ করছে। ফলে তারা ডায়রিয়া, কলেরা ও আমাশয়ের সঙ্গে পেটের পীড়ায় ভুগছে। 

এরূপ পরিস্থিতিতে সরকারের তরফ থেকে গ্রামের জনগণকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না করা হলে ডায়রিয়া ও কলেরা মহামারীর রূপ ধারণ করবে। এমতাবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঝাউখণ্ড গ্রামটিতে গভীর ও নতুন নলকূপ স্থাপন করে গ্রামবাসীর বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব পূরণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট সবিনয় জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিনীত
‘খ’ 
উলিপুর, কুড়িগ্রাম। 



 বর্তমান যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় রােধের উপায় সম্পর্কে তােমার মতামত জানিয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশের উপযােগী একটি পত্র লেখ।

তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ 
বরাবর
সম্পাদক, 
দৈনিক যুগান্তর 
১২/৭ উত্তর কমলাপুর, ঢাকা।

জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত ও জনপ্রিয় ‘দৈনিক যুগান্তর’ পত্রিকায় চিঠিপত্র কলামে নিম্নোক্ত সামাজিক সমস্যাভিত্তিক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রকাশপূর্বক যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য সবিনয় অনুরােধ জানাচ্ছি।

বিনীত
“ক”
নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর

যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় : উত্তরণের উপায়

যৌবন জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। এ যৌবন হচ্ছে মানুষের অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। যা জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে, সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা-বিপত্তিকে পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্ত জীবনের পথে। চোখে স্বপ্ন থাকে নতুন পৃথিবী গড়ার। শুধু তাই নয়, অসীম উদ্দীপনা, সাহসিকতা, দুর্বার গতি, নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন ও কল্যাণ ব্রত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যৌবনশক্তি আমাদের জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। অথচ যুব সমাজ আজ বিপথগামী হয়ে দেশ ও জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এর কারণ নানাবিধঃ

  • নীতিজ্ঞানের অভাব
  • ধর্ম ও শিক্ষার আলাে থেকে বঞ্চিত হওয়া
  • রাজনৈতিক স্বার্থে যুব সমাজকে ব্যবহার করা
  • কুরুচিপূর্ণ স্যাটেলাইট চ্যানেলের অবাধ ব্যবহার
  • কর্মসংস্থান না থাকা, তথা বেকার সমস্যা
  • পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অনুকরণ
  •  সচেতনতার অভাব;
  • অপরাধকর্মের জন্য শাস্তিহীনতা ইত্যাদি।

এসবের কারণে যুবসমাজ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। বাড়ছে যুবসমাজের সামাজিক অবক্ষয় বা সামাজিক অবক্ষয়। এর ফলে চুরি-ডাকাতি, হত্যা-রাহাজানি, প্রতারণা-চোরাকারবারি, লুণ্ঠন-আত্মগােপন, মাতলামি ও উচ্ছলতা, মিথ্যারােপ ও নকলবাজি বর্তমানে প্রতিদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব নৈতিক অবক্ষয় তথা যুব সমাজের অবক্ষয় রােধ করতে হলে আমাদের দ্রুতগতিতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

ক. নৈতিক জ্ঞান তথা নীতিজ্ঞানের শিক্ষার মাধ্যমে যুবসমাজকে সুসংগঠিত করে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে হবে। 

খ. পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যুবসমাজকে ধর্ম ও শিক্ষার আলাে ছড়িয়ে দিয়ে মনের অন্ধকার দূর করতে হবে। 

গ. রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য যুবসমাজকে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

ঘ. কুরুচিপূর্ণ স্যাটেলাইট চ্যানেল বন্ধ করতে হবে। অথবা যুব সমাজকে দেখতে নিরুৎসাহিত করতে হবে। 

ঙ. যােগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে বেকার সমস্যা সমাধান করতে হবে।

চ. দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্টতা বাড়াতে হবে। যাতে করে বেকার যুবসমাজ পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে ঘৃণা করে। 

ছ. সচেতনতাই যুব সমাজের অবক্ষয় রােধের প্রধান হাতিয়ার। তারা সচেতন হলে কোন রকম অন্যায় কুমন্ত্রণা তাদের বশীভূত করতে পারবে না। 

জ. সমাজে সংগঠিত অপরাধ কর্মের জন্য কঠোর আইন ও শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে করে যুব সমাজ কোন অপরাধ কর্মে লিপ্ত না হয়। 

এসব পদক্ষেপ সুষ্ঠুভাবে গ্রহণ করলেই যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রােধ করা সম্ভব। আর যুবকরাই দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং জাতির কর্ণধার।

বিনীত
“ক”
নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।

No comments:

Post a Comment

Adbox